যুবদলের নবঘোষিত ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটিতে ত্যাগী নেতাদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে সোমবার (৯ জুন) বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ের সামনে অবস্থান ও পদযাত্রা করেছেন বঞ্চিত নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, গত ১৬ বছর তারা জেল-জুলুম, মামলা-হামলা সহ্য করে আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে ছিলেন। অথচ নতুন কমিটিতে তাদের জায়গা হয়নি। উল্টো সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ঘনিষ্ঠদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে।
কমিটিতে স্থান না পাওয়া রফিকুল ইসলাম বলেন, “যুবদলই আগামী দিনে বিএনপির মূলধার নেতৃত্ব দেবে। ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করলে দল আরও শক্তিশালী হবে।”
একই বিষয়ে ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আযম সৈকত বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিবাদের ১৬ বছরে রাজপথ ছাড়িনি আমরা। জেল-মামলা-হামলা মাথায় নিয়েই আন্দোলন করেছি। ত্যাগের দিক দিয়ে আমরা কারও চেয়ে পিছিয়ে নেই। অথচ নতুন কমিটিতে আমাদের অবদানটাই মূল্যায়ন পায়নি। এটা আমাদের প্রতি পরিষ্কার অবিচার। আমরা হাইকমান্ডের কাছে ন্যায্য বিচার প্রত্যাশা করি।”
একই দিনে নয়াপল্টনে সদ্য ঘোষিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন।
সভাপতি মুন্না জানান, “হাইকমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করেই ১৫১ জনের কমিটি করা হয়েছে। যারা এবার বাদ পড়েছেন, ভবিষ্যতে তাদের মূল্যায়নের চেষ্টা করা হবে। তাই হতাশ হওয়ার কিছু নেই।”
কমিটি ঘোষণার পর দলের ভেতরে এমন অসন্তোষ নতুন না। তবে ত্যাগী বনাম ঘনিষ্ঠ—এই বিতর্ক এবার প্রকাশ্যে চলে আসায় বিএনপির সামনের পথচলা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
মন্তব্য করুন